গত অক্টোবর মাসের গোড়ার দিকে ইহুদিবাদী ইসরাইল গাজা উপত্যকার ওপর ভয়াবহ গণহত্যা শুরু করার পর এই নিয়ে তৃতীয়বার সেখানে যুদ্ধবিরতির আহ্বান জানিয়ে উত্থাপিত প্রস্তাবে ভেটো দিল ‘বড় শয়তান’ আমেরিকা।
গতরাতের ভোটাভুটিতে নিরাপত্তা পরিষদের ১৫ সদস্যদেশের মধ্যে ১৩টি দেশ প্রস্তাবটির পক্ষে ভোট দিলেও আমেরিকার ভেটোর কারণে তা পাস হয়নি। আন্তর্জাতিক অঙ্গনে আমেরিকার সকল অপকর্মের সহচর ব্রিটেন ভোটদানে বিরত ছিল।
জাতিসংঘে নিযুক্ত ফিলিস্তিন স্বশাসন কর্তৃপক্ষের রাষ্ট্রদূত রিয়াদ মনসুর মার্কিন ভেটোর নিন্দা জানিয়ে একে ‘মারাত্মক বেপরোয়া ও বিপজ্জনক’ পদক্ষেপ বলে অভিহিত করেছেন। তিনি বলেছেন, “আমেরিকা ভেটো প্রদানের মাধ্যমে ইসরাইলকে এই বার্তা দিল যে, সে গাজা উপত্যকায় ইচ্ছেমতো গণহত্যা চালিয়ে যেতে পারে।”
ভোটাভুটির আগে জাতিসংঘে নিযুক্ত আলজেরিয়ার রাষ্ট্রদূত প্রস্তাবটি উত্থাপন করে বলেন, প্রস্তাবের পক্ষে ভোট দেয়া হবে মানবতার পক্ষে ভোট দেয়া এবং এর বিপক্ষে ভোট দেয়ার অর্থ হবে মানবতাকে ধ্বংস করার সবুজ সংকেত দেয়া।
কিন্তু তারপরও প্রস্তাবটি উত্থাপনের পর নির্লজ্জের মতো ভেটো ক্ষমতা প্রয়োগ করেন জাতিসংঘে নিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত লিন্ডা থমাস-গ্রিনফিল্ড। তিনি আলজেরিয়ার খসড়া প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করে আমেরিকার পক্ষ থেকে বিকল্প একটি প্রস্তাবের পক্ষে বক্তব্য দেন। সম্ভাব্য ওই প্রস্তাবে গাজা উপত্যকায় স্থায়ী যুদ্ধবিরতির পরিবর্তে অস্থায়ী যুদ্ধবিরতি প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে ইসরাইলি পণবন্দিদের মুক্তি নিশ্চিত করার আহ্বান জানানো হয়েছে। #
342/